[english_date]

মৌলভীবাজার

দ্রব্যমূল্য সহ গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং হামলা নিপীড়নের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট মৌলভীবাজার জেলা শাখার বিক্ষোভ সমাবেশ 

দ্রব্যমূল্য সহ গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং হামলা নিপীড়নের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট মৌলভীবাজার জেলা শাখার বিক্ষোভ সমাবেশ 

ডায়ালসিলেট ডেস্ক: দ্রব্যমূল্য সহ গ্যাস-বিদ্যুতের মূল্য বৃদ্ধি এবং হামলা নিপীড়নের প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বাম গণতান্ত্রিক জোট মৌলভীবাজার জেলা শাখার বিক্ষোভ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। ২৮ ফেব্রুয়ারি’২৩ মঙ্গলবার বিকাল ৫টায় মৌলভীবাজার চৌমুহনায় বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি) মৌলভীবাজার জেলা কমিটির সাধারণ সম্পাদক (ভারপ্রাপ্ত) জহর লাল দত্তের সভাপতিত্বে এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ মৌলভীবাজার জেলা সদস্য বিশ্বজিৎ নন্দীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল- বাসদ জেলা সদস্য অ্যাডভোকেট আবুল হাসান, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি জেলা সদস্য আবু রেজা সিদ্দিকী ইমন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য রেহনোমা রুবাইয়াৎ, জেলা শাখার সাধারণ সম্পাদক রাজিব সূত্রধর, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন জেলা সংসদের সাংগঠনিক সম্পাদক সজীব চন্দ প্রমুখ নেতৃবৃন্দ।

সমাবেশে বক্তারা বলেন, দেশে দিনের ভোট রাতে ডাকাতি করে রাষ্ট্র ক্ষমতায় ঠিকে আছে এক অনির্বাচিত সরকার। যার জন্য দেশের জনগণের প্রতি নূন্যতম দায়বদ্ধতা নেই এই সরকারের। দেশটা তুলে দেয়া হয়েছে ব্যবসায়ী সিন্ডিকেটর হাতে, ফলে প্রতিদিন জিনিসপত্রের দাম আকাশচুম্বী বৃদ্ধি পাচ্ছে। আর দাম সমন্বয়ের নামে গ্যাস-বিদ্যুতের দফায় দফায় বাড়ানো হচ্ছে। আর দাম বৃদ্ধিকে বৈধতা দিতে সরকার বাহাদুরের পক্ষ থেকে তুলে ধরা হচ্ছে নিত্যনতুন গালগল্প। দেশের মানুষের ক্রয়ক্ষমতা বৃদ্ধি পাচ্ছে না উল্টো দিকে বৃদ্ধি পাচ্ছে দ্রব্য মূল্য। আর মন্ত্রী এমপি এবং দলের নেতারা জনগণের জীবনে নেমে আসা সংকটের এমন মূহুর্তেও উপহাসের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিয়েছে, যা পক্ষান্তরে জনগণের জীবন নিয়ে তামাশা খেলা চলছে। এমন সিন্ডিকেটের দৌরাত্মে দেশটা ছেড়ে না দিয়ে দেশের জনগণের প্রতি নূন্যতম দায়বোধ থাকলে সরকারকে মালিকের পাহারাদার না হয়ে সিন্ডিকেট ভেঙে দাম বৃদ্ধির দৌরাত্ম রুখে দাঁড়াতে হবে। সরকারের এই সকল অপসিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সংগঠিত সভা-সমাবেশ দমন করতে দলিয় সন্ত্রাস এবং পুলিশ বাহিনীকে ব্যবহার করছে সরকার।  দেশের সকল জনগণের ঐক্যবদ্ধ লড়াই সংগ্রামই পারে এই অগণতান্ত্রিক সরকারের সকল অপকর্ম রুখে দাঁড়াতে।
পাশাপাশি বক্তারা জনগণের সকল গণতান্ত্রিক অধিকার নিশ্চিত করা এবং  নির্দলীয় তদারকি সরকারের অধীনে সকলের অংশগ্রহণমূলক সুষ্ঠু নির্বাচনের দাবি তুলেন।