[english_date]

 চট্টগ্রামের কাট্টলীতে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ

ডায়ালসিলেট ডেস্কঃঃ

চট্টগ্রামের উত্তর কাট্টলীতে একই পরিবারের নয়জন দগ্ধ হয়েছেন। রোববার রাত ১০টার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

সোমবার (৯ নভেম্বর) চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তাদের ভর্তি করা হয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ কন্ট্রোলরুমের পরিদর্শক জহিরুল ইসলাম।

আকবর শাহ থানার ওসি মো. জহির হোসেন জানান, রাত ১০টার দিকে নগরীর উত্তর কাট্টলীর মুরাদ চৌধুরীবাড়ির মরিয়ম ভবনের ষষ্ঠ তলার ফ্ল্যাটে গ্যাসলাইনের লিকেজ থেকে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। এ সময় আগুনে ঘুমন্ত অবস্থায় একই পরিবারের ৯ জন দগ্ধ হন।

দগ্ধরা হলেন- মিজানুর রহমান (৪২), সাইফুর রহমান (১৯), বিবি সুলতানা (৩৬), মানহা (২), মাহের (৭), পেয়ারা বেগম (৬০), রিয়াজ (২২), জাহান (২১) ও সুমাইয়া। এদের মধ্যে দগ্ধ পেয়ারা বেগম মারা গেলেন।

সোমবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিটে (আইসিইউ) চিকিৎসাধীন থেকে তিনি মারা যান। নিহত পেয়ারা বেগমের ৬০ শতাংশ দগ্ধ ছিল।দগ্ধ পেয়ারা বেগমের বাড়ি নোয়াখালী। তিনি চট্টগ্রামে উত্তর কাট্টলীতে ছেলের বাসায় বেড়াতে এসেছিলেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চমেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের চিকিৎসক রফিক উদ্দিন আহমদ।

তিনি বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় পেয়ারা বেগম নামে এক বৃদ্ধার মৃত্যু হয়েছে। বাকি আটজনের মধ্য একজন বাদে সাতজনের অবস্থা গুরুতর। এই সাতজনের সবার শ্বাসনালি পুড়ে গেছে।

চট্টগ্রামের কাট্টলীপাড়ায় মরিয়ম ভবনে ভাড়া থাকতেন শিপিং করপোরেশনে চাকরিজীবী মিজানুর রহমান। এ দুর্ঘটনায় তার স্ত্রী ছোট দুই শিশু সন্তান, মা এবং ভাইবোনও দগ্ধ হয়েছেন। তাদের সঙ্গে থাকা দুজন সাবলেটও দগ্ধ হয়েছেন বলে জানা গেছে। শিশু ছেলেটির বয়স পাঁচ বছর ও মেয়েটির বয়স দেড় বছর। তাদের মা ফেনীর একটি প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষিকা। করোনাকালীনে ছুটিতে তিনি তাদের সঙ্গে ছিলেন।

হাসপাতালের বার্ন ইউনিট এবং প্লাস্টিক সার্জরি বিভাগের প্রধান রফিক উদ্দিন আহমেদ বলেন, বেশির ভাগ জনের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে, তাদের অবস্থা আশঙ্কাজনক। হাসপাতাল থেকে তাদের চিকিৎসার জন্য সব ধরনের সাহায্য করা হচ্ছে। উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের ঢাকায় পাঠানো হতে পারে।

`);printWindow.document.close(); }) .catch(error => console.error("Error loading print page:", error)); }); });