
নিজস্ব প্রতিবেদক ::
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষে সিলেটে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর তৎপর রয়েছে।
আজ বুধবার (১৪ এপ্রিল) থেকে কোভিড-১৯ এর দ্বিতীয় ঢেউয়ে ২য় দফায় আবারো ৮ দিন লকডাউন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এবারের করোনাকালীন সময়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩ দফা নির্দেশনার বিধিনিষেধ দেয়া হয়েছে।
এদিকে, সারাদেশের ন্যায় সিলেট নগরীর বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন বিধিনিষেধ কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ভোর থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশ চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের পরিচয় ও জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং রাস্তার বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করে। প্রয়োজন ছাড়া বের হলে আবার সেখান থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী।
তবে এবারের পহেলা বৈশাখের সরকারি ছুটি ও মুসলিম উম্মাহর ১ম রোজা হওয়ায় সড়কে মানুষের চলাচল ছিল একেবারেই কম। কিন্তু নিত্যপণ্য ও কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা যায় উপচে পড়া ভীড়।
পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বুধবার থেকে কঠোর লকডাউন কার্যকর করতে সরকার যে নির্দেশনা দিয়েছে তা বাস্তবায়নে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে আসতে দেওয়া হবে না।
করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নের লক্ষে সারা বাংলাদেশের ন্যায় সিলেটেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কঠোর তৎপর রয়েছে। আজ বুধবার থেকে (১৪ই এপ্রিল থেকে ২১এপ্রিল )পযন্ত ৮ দিন লকডাউন দিয়েছে সরকার। এর মধ্যে মন্ত্রীপরিষদ বিভাগ থেকে এবারের করোনাকালীন সময়ে জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ১৩ টি নির্দেশনার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে ।
এদিকে পহেলা বৈশাখ ও মুসলিম উম্মাহর ১ম রোজা হওয়ায় সড়কে মানুষের চলাচল ছিল একেবারেই কম। নগরীর বিভিন্ন এলাকায় লকডাউন বিধিনিষেধ কার্যকর করার জন্য বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। সকাল ১০টা থেকেই শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে পুলিশ চেক পোস্ট বসিয়ে যাত্রীদের পরিচয় ও জিজ্ঞাসাবাদ করে এবং রাস্তার বের হওয়ার কারণ জিজ্ঞেস করে। প্রয়োজন ছাড়া বের হলে আবার সেখান থেকে ফিরিয়ে দিচ্ছে আইনশৃঙ্খলাবাহিনী। আবার ‘মুভমেন্ট পাস’ ছাড়া কাউকে বাড়ির বাইরে বের হওয়া বা কোথাও যেতে দেয়া যাবেনা।
অন্যদিকে, নিত্যপণ্য ও কাঁচাবাজারগুলোতে দেখা যায় উপচে পড়া ভীড়। অনেকে সেখানে স্বাস্থ্যবিধি না মেনে মাস্ক না পড়ে ক্রেতারা বাজার করছেন আবার বিক্রেতারা মাস্ক তাদের মুখে না পড়ে গলায় বেধে দ্রব্যসামগ্রী বেচাকেনা করছেন। যা সংক্রমণের ঝুকির সম্ভাবনা থেকেই যায়।
তবে পুলিশ প্রশাসন ছাড়া মাঠে আর কোন প্রশাসনের বাহিনীদের নগরীতে দেখা যায় নি।