[english_date]

রেজা-নুরের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ

ডায়ালসিলেট ডেস্ক :: টাঙ্গাইলের সন্তোষে মওলানা আবদুল হামিদ খান ভাসানীর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করার পথে গণ অধিকার পরিষদের আহ্বায়ক রেজা কিবরিয়া ও সদস্য সচিব নুরুল হক নুরের ওপর ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

 

তবে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের দাবি, তাদের নেতা-কর্মীদের ওপর অতর্কিত হামলা চালিয়েছে গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা। হামলায় উভয় পক্ষের অন্তত ৭ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ৫ জন গণ অধিকার পরিষদের।

 

মওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে এ হামলার ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছেন টাঙ্গাইলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সরোয়ার হোসেন। আহতদের মধ্যে একজনকে টাঙ্গাঈল সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে বলেও জানান তিনি।

 

উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের পর নিজের ফেসবুক পেজ থেকে লাইভে রেজা কিবরিয়া বলেন, ‘আমরা আজকে আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের আসল রূপ দেখলাম। একজনের মাজারে আমরা ফুল দিতে গেছি, সেখানে তারা…পুলিশ কিছু করতে পারেনি। প্রায় ১০-১৫ পুলিশ ছিল। যখন ছাত্রলীগ আমাদের আক্রমণ করেছে তারা সরে গেছে। হয়তো তারা ভয়ে সরে গেছে, না হয় তাদের কোনো ইনস্ট্রাকশন আছে। আমি জানি না। তারা ঠিক প্রটেকশন দিতে পারেনি।

 

‘এখন আশা করি, তারা এ ব্যাপারে সক্রিয় হবে। প্রটেকশন দেবে। আমাদের অনেক ছেলে আহত হয়েছে এবং ছাত্রলীগের যারা এটার পেছনে আছে তাদের যেন দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেয়া হয়। এই দাবিটা আমরা করি। এখন আমরা থানায় যাচ্ছি।’

 

লাইভে গণ অধিকার পরিষদের যুগ্ম আহবায়ক রাশেদ খান বলেন, ‘আমাদের অগণিত নেতা-কর্মী মওলানা ভাসানীর মাজারে অবরুদ্ধ রয়েছেন। যাকে যেখানে পাচ্ছে সাপের মতো পেটানো হচ্ছে। আমরা যারা ওখানে ছিলাম, যারা সামনে ছিলাম প্রত্যেককে বাঁশ, লাঠিসোঁটা, ইট-পাটকেল যেভাবে পেরেছে সেভাবে পিটিয়েছে। ইট-পাথর নিক্ষেপ করেছে।

 

‘আমাদের আহ্বায়ককে কোনোক্রমে সেখান থেকে বের করে নিয়ে আসতে পেরেছি। কিন্তু নুরুল হক নুরসহ অনেক নেতা-কর্মী সেখানে রয়েছেন। দেশবাসীর কাছে, পুলিশ প্রশাসনের কাছে, সরকারের কাছে আমাদের উদাত্ত আহ্বান, আপনারা দ্রুত সময়ের মধ্যে ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুরসহ আমাদের নেতা-কর্মীদের উদ্ধার করেন।’

 

হামলার বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের বিলুপ্ত কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক নিবিড় পাল বলেন, ‘গণ অধিকার পরিষদের নেতা-কর্মীরা মিছিল নিয়ে ঢোকার সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। আত্মরক্ষায় তারাও ইটপাটকেল ছুড়লে উভয় পক্ষের নেতা-কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। এতে তাদের দুই কর্মী গুরুতর আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে একজনের মাথা ফেটে গেছে।

 

`);printWindow.document.close(); }) .catch(error => console.error("Error loading print page:", error)); }); });